০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বাংলাদেশ বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা পাকিস্তানের! নেপথ্যে আইএসআই?
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা পাকিস্তানের! নেপথ্যে আইএসআই?

Share
Share

ঢাকা: বাংলাদেশের শিক্ষাসমাজ ও বুদ্ধিজীবী মহলে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে পাকিস্তান এক বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে! গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে দাবি করা হচ্ছে, ঢাকার শিক্ষাব্যবস্থায় সুকৌশলে প্রবেশ করে পাকিস্তানপন্থী ভাবধারা এবং মৌলবাদী চিন্তাভাবনা ছড়িয়ে দিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই।

বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য প্রভাবশালী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গবেষক ও অধ্যাপকদের উপর নজর রাখা হচ্ছে। ফেলোশিপ, স্কলারশিপ এবং যৌথ সেমিনারের নামে তাঁদের মধ্যে পাকিস্তানি মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে পাকিস্তানের নেতিবাচক ভূমিকা এবং ১৯৭১-এর সত্যকে আড়াল করে একটি নতুন ‘ন্যারেটিভ’ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের পড়ুয়াদের মনে পাকিস্তান সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করাই এই প্রচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে। 

বিভিন্ন থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক এবং বুদ্ধিজীবীদের মাধ্যমে পাকিস্তানের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের অজুহাতে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ উঠছে। এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা দুর্বল করার ছক থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন শিক্ষাবিদরা।

গোয়েন্দা সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, এই পুরো প্রক্রিয়ার পিছনে আইএসআই-এর বড় ভূমিকা রয়েছে। তারা বিভিন্ন এনজিও এবং ‘অরাজনৈতিক’ সংগঠনের আড়ালে অর্থ সরবরাহ করছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে পাকিস্তান এই সুযোগটিকে কাজে লাগাতে চাইছে। দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের প্রভাব বাড়াতে এবং ভারতকে চাপে রাখতে বাংলাদেশকে একটি ‘প্রক্সি গ্রাউন্ড’ হিসেবে ব্যবহার করাই ইসলামাবাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বলে মনে করা হচ্ছে।

তথ্য বলছে, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এবং বুদ্ধিজীবী মহলের একটি বড় অংশ এই ধরনের তৎপরতা নিয়ে চিন্তিত। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং বাংলাদেশের নিজস্ব সত্ত্বার উপর এই ধরনের আঘাত ভবিষ্যতে বড় কোনও অস্থিরতার জন্ম দিতে পারে কিনা, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। 

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles