০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বাংলাদেশ ওসমান হাদির সন্তানকে নিয়ে পারিবারিক টানাপোড়েন
বাংলাদেশবাংলাদেশ

ওসমান হাদির সন্তানকে নিয়ে পারিবারিক টানাপোড়েন

Share
Share

ঢাকা:  যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদির পরিবারে প্রকাশ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। হাদির মেজ ভাই শরীফ ওমর বিন হাদির ফেসবুক পোস্ট এবং তার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পার মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার জনস্বার্থে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিকভাবে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছে শরীফ ওমর বিন হাদিকে। যদিও এখনও তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেননি। যুক্তরাজ্যে যোগদানের আগে তিনি হাদির একমাত্র সন্তান ফিরনাস ইবনে ওসমান হাদিকেও সঙ্গে নিয়ে যেতে চান বলে জানা গেছে।

[TECHTARANGA-POST:6150]

শনিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে শরীফ ওমর বিন হাদি তাঁর ছোট ভাই শরিফ ওসমান বিন হাদির একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, “আমি ওসমান হাদির ভাই প্রমাণ করার মতো একটা ছবি পেয়েছি। ভাই, তোমরা হাদির যা ছিল সব নিয়ে নাও। এমনকি তার বউকেও নিয়ে নাও, শুধু আমার সন্তানটা আমাকে দিয়ে দাও প্লিজ। নিরাপদ বসবাসের জন্য তাকে নিয়ে আমি যুক্তরাজ্যে চলে যাব।”

এই পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানান  হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা। তিনি পোস্টটি শেয়ার করে লেখেন, “মেজ ভাইয়া, ওসমান হাদির বউ কোনো প্রোডাক্ট না যে কেউ চাইলেই নিয়ে নেবে। আর ফিরনাসকে সবাই নিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। বাই দা ওয়ে, ফিরনাসের বাবা একজনই—শহীদ ওসমান হাদি।”

পরিবারের এই প্রকাশ্য মতবিরোধ ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও নানা প্রতিক্রিয়া। অনেকেই বিষয়টিকে পারিবারিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যেই সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি। চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ২০ ডিসেম্বর তাঁর জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ অংশ নেন। গণ-অভ্যুত্থানের একজন প্রতীকী মুখ হিসেবে তাঁর মৃত্যু রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

[TECHTARANGA-POST:6155]

এদিকে, কূটনৈতিক নিয়োগের পাশাপাশি হাদির পরিবারে এই টানাপোড়েন কীভাবে সমাধান হয়, সে দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলের।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles