০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ টেক আধার সেন্টারে যাওয়ার দিন শেষ! ঘরে বসেই পাল্টানো যাবে মোবাইল নম্বর-ঠিকানা
টেকভারতবর্ষ

আধার সেন্টারে যাওয়ার দিন শেষ! ঘরে বসেই পাল্টানো যাবে মোবাইল নম্বর-ঠিকানা

Share
Share

কলকাতা: আধার কার্ডের ঠিকানা ভুল বা মোবাইল নম্বর আপডেট করতে গিয়ে আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা আধার সেবা কেন্দ্র কিংবা ডাকঘরের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। এবার স্মার্টফোনের এক ক্লিকেই বাড়ির সোফায় বসে সেরে ফেলা যাবে এই কাজ। বুধবার আধার গ্রাহকদের জন্য একগুচ্ছ অত্যাধুনিক পরিষেবা নিয়ে এল ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া (UIDAI)। কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এদিন আধার অ্যাপের এই নতুন রূপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

আগে আধার আপডেটের জন্য বায়োমেট্রিক বা ওটিপি-র ওপর নির্ভর করতে হতো। কিন্তু নতুন অ্যাপে যুক্ত করা হয়েছে ‘ফেস অথেন্টিকেশন’ বা মুখাবয়ব যাচাইকরণ পদ্ধতি। এই প্রযুক্তির সাহায্যেই গ্রাহক তাঁর নিজের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে কয়েক মিনিটের মধ্যে ঠিকানা এবং মোবাইল নম্বর বদলে ফেলতে পারবেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে এই পরিবর্তনের পর ইউআইডিএআই-এর পক্ষ থেকে যাচাইকরণ (Verification) করা হবে।

নতুন অ্যাপে আর কী কী সুবিধা মিলবে?

গ্রাহকদের ডিজিটাল স্বাচ্ছন্দ্য দিতে একগুচ্ছ নতুন ফিচার যোগ করা হয়েছে এই অ্যাপে:

৫ জনের আধার এক ফোনে: একটি মাত্র মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে একই অ্যাপে পরিবারের মোট পাঁচজনের আধার কার্ড রাখা এবং নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

ভার্চুয়াল আধার: এখন থেকে আধার কার্ড সঙ্গে নিয়ে ঘোরার প্রয়োজন নেই। অ্যাপের কিউআর কোড (QR Code) স্ক্যান করেই পরিচয়ের প্রমাণ দেওয়া যাবে।

বায়োমেট্রিক লক-আনলক: জালিয়াতি রুখতে গ্রাহক যখন খুশি তাঁর বায়োমেট্রিক তথ্য লক বা আনলক করতে পারবেন।

কাউকে আধার তথ্য দেওয়ার সময় গ্রাহক ঠিক করতে পারবেন তিনি কতটুকু তথ্য শেয়ার করবেন। অর্থাৎ অপ্রয়োজনীয় তথ্য গোপন রাখার অধিকার থাকবে গ্রাহকের হাতেই।

আপনার আধার কার্ড কোথায়, কখন এবং কোন কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, তার সম্পূর্ণ তথ্য এই অ্যাপে দেখা যাবে। এর ফলে আধার সংক্রান্ত জালিয়াতি রোখা অনেক সহজ হবে।

এত বেশি সুবিধা দেওয়া হলেও তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে কোনও আপস করা হয়নি বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রক। মন্ত্রকের মতে, আধুনিক এনক্রিপশন ও ফেস স্ক্যানিং পদ্ধতির ফলে তথ্য চুরি হওয়া বা ভুল হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *