০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দিল্লি রক্ষক যখন নিজেই ভক্ষক, সোয়াট কমান্ডোর রহস্যমৃত্যুতে তোলপাড় দিল্লি!
দিল্লি

রক্ষক যখন নিজেই ভক্ষক, সোয়াট কমান্ডোর রহস্যমৃত্যুতে তোলপাড় দিল্লি!

Share
Share

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রশিক্ষণ ছিল যাঁর হাতে, পণের দাবিতে নিজের ঘরেই প্রাণ হারাতে হলো তাঁকে। খোদ দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল ওয়েপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিস (SWAT)-এর মহিলা কমান্ডো কাজল চৌধরিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা কাজলকে নৃশংসভাবে মারধরের পর মঙ্গলবার হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় কাজলের স্বামী অঙ্কুর চৌধরিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

[TECHTARANGA-POST:6207]

দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির দ্বারকা মোড় এলাকার বাসিন্দা কাজল ও অঙ্কুরের বিয়ে হয়েছিল ২০২৩ সালে। তাঁদের দেড় বছরের একটি সন্তানও রয়েছে। কাজল যখন দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা, তখনই পণের দাবিতে তাঁর ওপর অত্যাচার চরমে পৌঁছায় বলে অভিযোগ। কাজলের ভাই নিখিল, যিনি নিজেও দিল্লি পুলিশের কনস্টেবল, দাবি করেছেন যে বিয়ের পর থেকেই দিদির শাশুড়ি ও ননদেরা টাকার জন্য কাজলকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।

[TECHTARANGA-POST:6203]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২২ জানুয়ারি দম্পতির মধ্যে অশান্তি চরমে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় উন্মত্ত হয়ে অঙ্কুর ভারি ডাম্বেল দিয়ে কাজলের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। শুধু তাই নয়, কাজলের মাথা দেওয়ালে ঠুকে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় বাপের বাড়ির লোকেরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। টানা কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর মঙ্গলবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মহিলা কমান্ডো।

অভিযুক্ত অঙ্কুর চৌধরি নিজে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (Ministry of Defence) কর্মী। দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে কর্মরত দম্পতির অন্দরে পণের মতো কুপ্রথা যে এমন বীভৎস রূপ নিতে পারে, তা ভাবিয়ে তুলছে সমাজবিজ্ঞানীদের।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে কাজলের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এক সাহসী কমান্ডোর এমন করুণ পরিণতিতে শোকের ছায়া দিল্লি পুলিশ মহলে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *