০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা শূন্য থেকে ফের শিখরে যাওয়ার ছক? মীনাক্ষী-দীপ্সিতাদের ‘মাটি কামড়ানো’ লড়াইয়ে কি ফিরবে লাল ভোট?
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

শূন্য থেকে ফের শিখরে যাওয়ার ছক? মীনাক্ষী-দীপ্সিতাদের ‘মাটি কামড়ানো’ লড়াইয়ে কি ফিরবে লাল ভোট?

Share
শূন্য থেকে ফের শিখরে যাওয়ার ছক? মীনাক্ষী-দীপ্সিতাদের ‘মাটি কামড়ানো’ লড়াইয়ে কি ফিরবে লাল ভোট?
প্রতীকী ছবি
Share

কলকাতা: ভোটপর্ব শেষ। এবার শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে কি তবে বাংলায় বামেদের ‘শূন্যের গেরো’ কাটতে চলেছে? বুধবার ভোট মিটতেই আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে শুরু হয়েছে খাতা-পেনসিলের অঙ্ক! হারানো ভোট কতটা ঘরে ফিরল, মানে ‘রামে’ যাওয়া ভোট কতটা কাস্তে-হাতুড়িতে ফিরল – তা নিয়েই এখন জোর চর্চা সিপিএমের অন্দরে।

[TECHTARANGA-POST:8593]

দ্বিতীয় দফার ভোটে রাজ্যের একাধিক জায়গায় লাল ঝান্ডার পুরনো মেজাজ লক্ষ করা গিয়েছে। দমদম থেকে বালিগঞ্জ, কিংবা উত্তরপাড়া থেকে উলুবেড়িয়া – বিজেপির ক্যাম্প অফিস যখন অনেক জায়গায় জনশূন্য, সেখানেই সিপিএমের ক্যাম্পে দেখা গিয়েছে কর্মীদের ভিড়। বিশেষ করে দমদম উত্তরে দীপ্সিতা ধর এবং উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের মতো তরুণ নেত্রীরা দিনভর বুথ আগলে পড়েছিলেন। ভোটারদের বুথ পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে দোদুল্যমান ভোটারদের মন জয় করা – সবক্ষেত্রেই সক্রিয় ছিলেন লাল শিবিরের কর্মীরা।

[TECHTARANGA-POST:8589]

২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে সিপিএমের ভোট শতাংশ নেমে এসেছিল মাত্র ৬ শতাংশে। এবার সেই খরা কাটাতে মরিয়া আলিমুদ্দিন। নিচুতলার কর্মীদের বার্তা দেওয়া হয়েছিল, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যেন বাম মনোভাবাপন্ন ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়। সেই লক্ষ্যেই বরানগর, পানিহাটি এবং যাদবপুরের মতো এলাকায় ‘কমিটেড’ ভোটারদের বুথমুখী করার কৌশলে সফল হয়েছে দল, এমনটাই মনে করছে নেতৃত্ব। তবে, যেসব কেন্দ্রে বিজেপি অতি শক্তিশালী, সেখানে খুব একটা চেষ্টা করতে দেখা যায়নি লাল শিবিরকে।

[TECHTARANGA-POST:8587]

ভোট দেওয়ার পর সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম স্পষ্ট জানিয়েছেন, কর্মীরা শুধু বুথ নয়, গণনাকেন্দ্রও আগলে রাখবেন। সেইসঙ্গে, ঘোড়া কেনাবেচার রাজনীতিতে যে তাঁরা নেই, তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সেলিম। তিনি বলেন, “জনতা দায়িত্ব দিলে আমরা সেই দায়িত্ব পালন করব। আমরা জনতার আকাঙ্ক্ষাই প্রতিফলিত করতে চাই।”

[TECHTARANGA-POST:8586]

বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুও বুধবার আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই ভোট দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার অনেক আসনেই নির্ণায়ক শক্তি বা ‘ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠতে পারে সিপিএম। এখন দেখার, এই মাটি কামড়ানো লড়াই শেষ পর্যন্ত ইভিএমে কতটা প্রতিফলিত হয়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *