০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা সরকার বদল মানে ঝান্ডার নয়, ব্যবস্থার পরিবর্তন! অনুপ্রবেশকারী থেকে সিন্ডিকেটরাজ নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

সরকার বদল মানে ঝান্ডার নয়, ব্যবস্থার পরিবর্তন! অনুপ্রবেশকারী থেকে সিন্ডিকেটরাজ নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর!

Share
সরকার বদল মানে ঝান্ডার নয়, ব্যবস্থার পরিবর্তন! অনুপ্রবেশকারী থেকে সিন্ডিকেটরাজ নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর!
FILE IMAGE
Share

কলকাতা: রাজ্যে গুন্ডারাজ এবং তোলাবাজি রুখতে এবার নজিরবিহীন ও কড়া পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাংলায় যে গুন্ডাগিরির দিন শেষ, তা স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী সাধারণ মানুষকে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন।

[TECHTARANGA-POST:9934]

 দক্ষিণ কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানান, “কেউ গুন্ডাগিরি বা তোলাবাজি করলে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে একটা মেসেজ করে পাঠিয়ে দেবেন, নিচে আপনার নাম আর মোবাইল নম্বর লিখে দেবেন।” শুধু তাই নয়, কোনও প্রভাবশালী নেতা বা জনপ্রতিনিধির নাম ভাঙিয়ে যদি কেউ অন্যায়ভাবে দাপট দেখানোর চেষ্টা করে, তবে তাকেও রেয়াত করা হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, রাজ্যে সরকার বদলানোর অর্থ কেবল একটা ঝান্ডার পরিবর্তন নয়, বরং গোটা দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন।

[TECHTARANGA-POST:9935]

দক্ষিণ কলকাতায় বেঙ্গল বিকাশ ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ‘অভিনন্দন আপনো কা’ নামক একটি বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজস্থানের প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা রাজেন্দ্র সিং রাঠোর, সাওয়ার ধনানিয়া, শিশির বাজোরিয়া এবং আজমেঢ়ের প্রাক্তন মেয়র নীরজ জৈন-সহ একাধিক শিল্পপতি ও সমাজের বিশিষ্টজনেদের উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর আগামী দিনের রূপরেখা স্পষ্ট করেন। ভাষণের শুরুতেই তিনি বলেন, “আপনারা আমাকে যে বিশাল দায়িত্ব দিয়েছেন, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে। বাংলাকে আবার নতুন করে খাড়া করতে হবে।” বাংলার অর্থনীতিকে মজবুত করা, নতুন বিনিয়োগ আনা এবং শিল্পবান্ধব ও স্বচ্ছ জমিনীতি তৈরি করার পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যে তাঁর সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নেবে, তা পুনরুল্লেখ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গেই আগের তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি দাবি করেন, অহংকার, অত্যাচার এবং পুলিশ-গুন্ডা রাজের কারণে পূর্বতন সরকার রাজ্যকে পুরোপুরি বরবাদ করে দিয়েছিল, যার ফলে বাংলার মানুষ সেই দুর্নীতিগ্রস্ত শক্তিকে উপড়ে ফেলেছে এবং এখন ওদের পার্টিও ধ্বংসের মুখে।

[TECHTARANGA-POST:9923]

অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নিয়েও অত্যন্ত কড়া হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, রাজ্যে ইতিমিধ্যেই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে বের করে দরজা দেখানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫ হাজার অনুপ্রবেশকারীকে তাড়ানো হয়েছে এবং রাজ্যজুড়ে ১২টি হোল্ডিং সেন্টার চালু করা হয়েছে। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের ‘মৌসম ও মহল’ দুই-ই বদলে গিয়েছে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “এখন কি আর রাজ্যে তোলাবাজি, কাটমানি বা সিন্ডিকেটরাজ আছে?

 স্বচ্ছ নিয়োগের আশায় পরীক্ষার্থীরা, কড়া নিরাপত্তায় অনুষ্ঠিত ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষা

পুলিশের টোন বদলেছে কি বদলায়নি? গুন্ডারা এখন জনতার কাছে মাফ চাইছে।” কলকাতা ও বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়ররা ভয়ে পালিয়ে গিয়েছেন দাবি করে তিলজলা ও কসবায় বিনা প্ল্যানে গজিয়ে ওঠা বেআইনি বহুতল নিয়েও সরব হন তিনি। সবশেষে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য, “পহেলে ঝাঁকি হ্যায়, আভি বহুত কুছ বাকি হ্যায়।” মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া বার্তার পর এখন রাজ্যজুড়ে অপরাধীদের মধ্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *