০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বাংলাদেশ ‘ফাঁসি দিলেও পরোয়া করি না, এই বছরই ফিরছি!’ মৃত্যুদণ্ডের সাজা মাথায় নিয়ে হুঙ্কার হাসিনার
বাংলাদেশ

‘ফাঁসি দিলেও পরোয়া করি না, এই বছরই ফিরছি!’ মৃত্যুদণ্ডের সাজা মাথায় নিয়ে হুঙ্কার হাসিনার

Share
‘ফাঁসি দিলেও পরোয়া করি না, এই বছরই ফিরছি!’ মৃত্যুদণ্ডের সাজা মাথায় নিয়ে হুঙ্কার হাসিনার
FILE IMAGE
Share

নয়াদিল্লি: মাথার ওপর ঝুলছে ফাঁসির খাঁড়া, দেশের মাটিতে পা রাখলেই অবধারিত মৃত্যু! তবুও বিন্দুমাত্র দমে যেতে রাজি নন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী তথা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। দিল্লির রাজনৈতিক আশ্রয় থেকে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের সুরে হুঙ্কার ছেড়েছেন তিনি। সাফ জানিয়েছেন, সমস্ত বাধা ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে ২০২৬ সালে তথা এই বছরই তিনি বাংলাদেশে ফিরছেন। মৃত্যুর ভয়কে তুচ্ছ করে হাসিনার স্পষ্ট বক্তব্য, ১৯৭৫ সালে গোটা পরিবারকে হারিয়ে তিনি মৃত্যুর মুখ থেকেই ফিরে এসেছিলেন। এর পর বহুবার তাঁকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে, তাই নতুন করে মৃত্যুকে তিনি ভয় পান না। আওয়ামি লিগকে যারা রাজনীতির বৃত্ত থেকে মুছে ফেলার স্বপ্ন দেখছে, তারা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবেই।

[TECHTARANGA-POST:10364]

২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংরক্ষণ-বিরোধী গণঅভ্যুত্থানের জেরে গদিচ্যুত হয়ে আকাশপথে দিল্লিতে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন বাংলাদেশের দীর্ঘতম মেয়াদের এই প্রধানমন্ত্রী। এর পর নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গণহত্যা মামলায় হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। এই রায়কে সম্পূর্ণ বেআইনি, অনৈতিক ও প্রহসন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, একটি সম্পূর্ণ অসংসদীয় ও নির্বাচনহীন সরকারের তৈরি করা ট্রাইব্যুনাল তাঁকে ফাঁসির সাজা শুনিয়ে আসলে আওয়ামি লিগকে নেতৃত্বহীন করতে চেয়েছিল। তবে আওয়ামি লিগ কোনও কাগজ-কলমের দল নয়, এটি বাংলাদেশের জনগণের পার্টি। যতবার এই দলের ওপর আঘাত এসেছে, জনসমর্থনে ভর করে তা আরও শক্তিশালী হয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:10360]

ইউনুস সরকারের পর বাংলাদেশে এখন সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকারও হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকর করতে চরম আগ্রহী হলেও, কূটনৈতিক জটিলতার কারণে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন জানায়নি। এই টানাপোড়েনের মাঝেই দিল্লিতে বসে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর ভোকাল টনিক দেওয়ার পাশাপাশি নিজের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ডেডলাইন বেঁধে দিলেন হাসিনা। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দেশে ফেরাটা তাঁর কোনও ব্যক্তিগত লক্ষ্য নয়, বরং বাংলাদেশের মাটিতে হৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে এবং বিপন্ন দেশবাসীর পাশে দাঁড়াতেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত। এখন দেখার, হাসিনার এই বিস্ফোরক ঘোষণার পর ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles