০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা আইন-কানুন ডিউটি না করলেই ৩ বছরের জেল! সেন্সাস নিয়ে কড়া চিঠি নবান্নের, মহাবিপদে বাংলার শিক্ষকেরা?
আইন-কানুনকলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিশিক্ষাঙ্গন

ডিউটি না করলেই ৩ বছরের জেল! সেন্সাস নিয়ে কড়া চিঠি নবান্নের, মহাবিপদে বাংলার শিক্ষকেরা?

Share
ডিউটি না করলেই ৩ বছরের জেল! সেন্সাস নিয়ে কড়া চিঠি নবান্নের, মহাবিপদে বাংলার শিক্ষকেরা?
এ আই নির্মিত ছবি
Share

কলকাতা: ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার রাজ্যজুড়ে শুরু হতে চলেছে বহুপ্রতীক্ষিত ২০২৭ সালের জনগণনা (Census 2027)। আর এই জাতীয় কর্তব্যে শিক্ষকদের বাধ্যতামূলকভাবে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে জারি হলো চরম হুঁশিয়ারি।

ফের হাতির হানায় আতঙ্ক! ঝাড়গ্রামের সাঁকরাইলে জঙ্গলে ঢুকল ৭৮টি হাতির দল, সতর্কতা বনদপ্তরের

 কলকাতা পুরনিগমের (KMC) তরফ থেকে সরাসরি জেলা স্কুল পরিদর্শকের (DI) অফিসে এই সংক্রান্ত একটি কড়া চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, কোনও রকম অজুহাত দেখিয়ে জনগণনার কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে বা অনীহা প্রকাশ করলে কড়া আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়তে হবে শিক্ষকদের, যেখানে মোটা টাকা জরিমানার পাশাপাশি হতে পারে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত শ্রীঘরের সাজা!

[TECHTARANGA-POST:10782]

কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো এই নির্দেশিকায় সাফ জানানো হয়েছে, ২০২৭ সালের জনগণনার কাজে স্কুলের শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক এবং ক্লার্কদের অংশগ্রহণ করা সম্পূর্ণ বাধ্যতামূলক। কোনও শিক্ষক যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া এই কাজ করতে অস্বীকার করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৪৮ সালের ঐতিহাসিক ‘সেন্সাস অ্যাক্ট’ বা জনগণনা আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই আইন লঙ্ঘন করলে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। পুরনিগমের এই নজিরবিহীন কড়া অবস্থান সামনে আসতেই রাজ্যের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:10793]

জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিস সূত্রে খবর, স্কুলের স্বাভাবিক পঠনপাঠন ও ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের স্বার্থে কিছু শিক্ষককে এই জনগণনার ডিউটি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য একটি অনুরোধ জানানোর কথা ভাবা হচ্ছিল। কিন্তু কলকাতা পুরনিগম এই বিষয়ে কোনও রকম অনুরোধ বা আবেদন শুনতে একেকবারেই নারাজ। কেন্দ্রীয় সরকারের আইনকে হাতিয়ার করে চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, জাতীয় স্বার্থে এই দায়িত্ব পালন করা প্রত্যেক শিক্ষকের জন্য আবশ্যিক এবং এতে কোনও রকম ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। জেলা স্কুল পরিদর্শককে ইতিমধ্যেই অনুরোধ করা হয়েছে, তিনি যেন অবিলম্বে নির্দেশিকা জারি করে সমস্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের এই কড়া নিয়মের কথা দ্রুত জানিয়ে দেন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *