০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ অপরাধ হাদি হত্যায় অভিযুক্তরা নয়াদিল্লির জালে! ফয়সাল-আলমগীরকে হেফাজতে নিল এনআইএ
অপরাধকূটনীতিবাংলাদেশভারতবর্ষভারতবর্ষ

হাদি হত্যায় অভিযুক্তরা নয়াদিল্লির জালে! ফয়সাল-আলমগীরকে হেফাজতে নিল এনআইএ

Share
Share

কলকাতা ও নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যা মামলার তদন্তে বড়সড় মোড়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সঙ্গী আলমগীর হোসেনকে এবার নিজেদের হেফাজতে নিল ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা বা এনআইএ (NIA)। ট্রানজিট রিমান্ডের অনুমতি পাওয়ার পর সোমবার রাতেই বিশেষ বিমানে দুই অভিযুক্তকে কলকাতা থেকে নয়াদিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়।

[TECHTARANGA-POST:7557]

এর আগে গত রবিবার বিধাননগর মহকুমা আদালত দুই অভিযুক্তকে ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু, তদন্তের গুরুত্ব বিবেচনা করে এনআইএর পক্ষ থেকে তাদের নয়াদিল্লি নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। সোমবার শুনানির সময় দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে ভার্চুয়ালি হাজির করা হয় ফয়সাল ও আলমগীরকে। আদালত এনআইএর আবেদন মঞ্জুর করতেই সোমবার গভীর রাতে তাদের হেফাজতে নেয় কেন্দ্রীয় সংস্থাটি।

[TECHTARANGA-POST:7554]

গত ৭ মার্চ রাতে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। পুলিশের দাবি, জেরায় অভিযুক্তরা হাদি হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সরাসরি যোগসূত্রের কথা স্বীকার করেছিল। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনে গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হলেও, গত ১৮ ডিসেম্বর সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

[TECHTARANGA-POST:7549]

সোমবার আদালতে পেশ হওয়ার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অবশ্য ভোল বদলানোর চেষ্টা করে ফয়সাল করিম। সে দাবি করে, হাদি হত্যায় সে জড়িত নয়। সিসিটিভি ফুটেজে উপস্থিতির কথা তোলা হলে সে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলে, সিসিটিভি ফুটেজে তাকে গুলি করতে দেখা যায়নি এবং সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না। তার দাবি, তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে।

[TECHTARANGA-POST:7547]

এনআইএ সূত্রের খবর, ধৃতদের দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে এক ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে কোনও আন্তঃসীমান্ত বড়সড় ষড়যন্ত্র বা কোনও জঙ্গি সংগঠনের মদত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখাই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের মূল লক্ষ্য। এই গ্রেফতারির ফলে হাদি খুনের রহস্যের শিকড় পর্যন্ত পৌঁছনো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *