০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ অর্থনীতি ভোটের মুখে মাস্টারস্ট্রোক দিল্লির! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের DA বাড়ল আরও ২ শতাংশ, রাজ্য সরকারিদের সঙ্গে ব্যবধান বেড়ে কত?
অর্থনীতিকলকাতাপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

ভোটের মুখে মাস্টারস্ট্রোক দিল্লির! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের DA বাড়ল আরও ২ শতাংশ, রাজ্য সরকারিদের সঙ্গে ব্যবধান বেড়ে কত?

Share
ভোটের মুখে মাস্টারস্ট্রোক দিল্লির! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের DA বাড়ল আরও ২ শতাংশ, রাজ্য সরকারিদের সঙ্গে ব্যবধান বেড়ে কত?
প্রতীকী ছবি
Share

নয়াদিল্লি ও কলকাতা: ভোট মরশুমে বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্ষোভের আগুনে যেন ঘৃতাহুতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার! তাদের কর্মীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ আরও ২ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিল মোদী মন্ত্রিসভা। ফলে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের প্রাপ্ত ডিএ-র হার ৫৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হল ৬০ শতাংশ! আর এই এক ঘোষণাতেই পশ্চিমবঙ্গের ভোট-রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তোলপাড়।

[TECHTARANGA-POST:8104]

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ২২ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। কেন্দ্রের এই ২ শতাংশ বৃদ্ধির পর রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রীয় হারের ডিএ-র ব্যবধান বেড়ে দাঁড়াল ৩৮ শতাংশ। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে এই ঘোষণা নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়। বরং, এর নেপথ্য়ে রয়েছে সুচিন্তিত রাজনৈতিক কৌশল!

[TECHTARANGA-POST:8129]

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার মোক্ষম সময়ে এই চালটি চেলেছে। কারণ, ডিএ নিয়ে বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রয়েছে। ৩৮ শতাংশের এই বিপুল ফারাককে হাতিয়ার করে বিজেপি এখন রাজ্যের কর্মচারীদের বোঝাতে চাইছে যে – ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার না থাকলে আর্থিক বঞ্চনা কমবে না। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের ভাঁড়ারেও যে টান রয়েছে, একথা নবান্ন বারবার বলেছে। এই অবস্থায় কেন্দ্র ডিএ বাড়িয়ে দিয়ে তৃণমূলকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিল। রাজ্য এখন পাল্লা দিয়ে ডিএ বাড়াতে গেলে রাজকোষে আরও টান পড়বে। আর, না বাড়ালে সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ ইভিএমে প্রভাব ফেলতে পারে।

[TECHTARANGA-POST:8112]

সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের মতে, নবান্নের জন্য এই পরিস্থিতি ‘শাঁখের করাত’-এর মতো। কারণ, কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের ফলে ডিএ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের লড়াই আরও অক্সিজেন পেল। এবার প্রচারে বেরিয়ে বিজেপি নেতারা এখন অনায়াসেই বলতে পারবেন, কেন্দ্র কর্মীদের স্বার্থ দেখলেও রাজ্য সরকার তা করতে পারছে না। তাছাড়া, সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কেন্দ্রের এই হার বৃদ্ধি আইনি লড়াইয়েও রাজ্যকে আরও রক্ষণাত্মক অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে।

[TECHTARANGA-POST:8123][TECHTARANGA-POST:8123]

যদিও তৃণমূলের দাবি, কেন্দ্র নির্বাচনের মুখে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই এই কাজ করেছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবারই বলেছেন, কেন্দ্র বকেয়া টাকা না মেটানোয় আর্থিক সঙ্কটে রয়েছে রাজ্য। কিন্তু, ভোটের ময়দানে এই যুক্তি কতটা ধোপে টিকবে, তা সময়ই বলবে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *