০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা উত্তর শহরতলির চার পুরসভা, এক পুরনিগমের প্রতিনিধিদের নিয়ে কালীঘাটে জরুরি বৈঠক মমতার
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

উত্তর শহরতলির চার পুরসভা, এক পুরনিগমের প্রতিনিধিদের নিয়ে কালীঘাটে জরুরি বৈঠক মমতার

Share
উত্তর শহরতলির চার পুরসভা, এক পুরনিগমের প্রতিনিধিদের নিয়ে কালীঘাটে জরুরি বৈঠক মমতার
FILE IMAGE
Share

কলকাতা: বিধানসভায় ভরাডুবির পর এবার আসন্ন পুরভোটকে পাখির চোখ করতে চাইছে রাজ্য়ের পূর্বতন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। সম্প্রতি গেরুয়া-ঝড়ে রাজ্যের একাধিক পুরসভায় ঘাসফুল শিবিরের অবস্থা টালমাটাল। একের পর এক পুরপ্রতিনিধির ইস্তফা কিংবা বোর্ড ভেঙে যাওয়ার মতো ঘটনা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ এবং অশনি সঙ্কেত বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এই পরিস্থিতিতে মাটি কামড়ে পড়ে থাকার এবং পুর-পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার কড়া বার্তা দিতে তৎপর হলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

[TECHTARANGA-POST:9456]

কলকাতা পুরনিগমের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে গত সপ্তাহেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরেছেন সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এবার তাঁর কড়া নজর উত্তর শহরতলির পুরসভাগুলির দিকে। সূত্রের খবর, সোমবার বিকেলেই দমদম, উত্তর দমদম, দক্ষিণ দমদম, বরানগর পুরসভা এবং বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র, চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলরদের নিজের কালীঘাটের বাসভবনে এক জরুরি বৈঠকে ডেকেছেন দলনেত্রী।

[TECHTARANGA-POST:9455]

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দমদম লোকসভা সাংগঠনিক জেলার নবনিযুক্ত সভাপতি তথা কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র রবিবার নিজে উদ্যোগী হয়ে এই সমস্ত পুরসভার প্রত্যেক পদাধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের এই বৈঠকের আমন্ত্রণ পৌঁছে দিয়েছেন। বিধানসভা নির্বাচনের পর বিধায়ক ও সাংসদদের সঙ্গে এবং পরবর্তীতে জেলা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে ইতিমধ্যেই দফায় দফায় বৈঠক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সপ্তাহে কলকাতা পুরনিগমের পর এবার জেলা সতরের পুরসভাগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সরাসরি আলোচনায় বসতে চলেছেন তিনি।

[TECHTARANGA-POST:9452]

জনপরিষেবা ও দলীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার এই পুরসভাগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পূর্ববর্তী বৈঠকগুলির মতোই এই বৈঠক থেকেও তৃণমূলনেত্রী জনসংযোগ বাড়ানো এবং ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করার বার্তা দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। পুর আইনের প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নির্বাচিত বোর্ড এভাবে ভেঙে দেওয়া যায় না। তা কেবল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই ছিনিয়ে নেওয়া সম্ভব। ফলে পুরসভাগুলিতে পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে যাতে কোনও খামতি না থাকে এবং সাধারণ মানুষের ক্ষোভ প্রশমন করা যায়, সেই লক্ষ্যেই আজকের এই কালীঘাটের বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *