০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী! সল্টলেকে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’-এ উপচে পড়া ভিড়, কী বললেন চাকরিহারা যুবক?
কলকাতা

মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী! সল্টলেকে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’-এ উপচে পড়া ভিড়, কী বললেন চাকরিহারা যুবক?

Share
মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী! সল্টলেকে শুভেন্দুর 'জনতার দরবার'-এ উপচে পড়া ভিড়, কী বললেন চাকরিহারা যুবক?
ছবি: সংগৃহীত
Share

কলকাতা: মানুষের অভাব-অভিযোগ আর মনের কথা সরাসরি শুনতে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অভিনব উদ্যোগ ‘জনতার দরবার’। সোমবার ছিল এই দরবারের দ্বিতীয় দিন। আর সাতসকাল থেকেই সল্টলেকের কার্যালয়ের বাইরে থিকথিক করছে রাজ্যবাসীর ভিড়। সুবিচারের আশায় কেউ এসেছেন পার্শ্বশিক্ষক, কেউ নার্স, আবার কেউ গ্রুপ-ডি কর্মী। শুধু তাই নয়, সদ্য সমাপ্ত ভোটে হিংসার শিকার হওয়া বহু পরিবারের সদস্যরাও এদিন সল্টলেকে হাজির হন। তাঁদের অভিযোগ, এতদিন তাঁরা পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ পর্যন্ত জানাতে পারতেন না, তাই শেষ ভরসা হিসেবে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে ছুটে এসেছেন অসহায় মানুষগুলো।

[TECHTARANGA-POST:9457]

এদিন সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার সকালে প্রথমে লেকটাউনের একটি শিবমন্দিরে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে নিষ্ঠাভরে পুজো দিয়ে মন্দিরে উপস্থিত সাধারণ ভক্তদের সাথে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলেন তিনি। এরপর বেলা ঠিক ১১টা নাগাদ সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সাথে এদিন উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। কার্যালয়ে ঢোকার পর থেকেই এক এক করে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগের চিঠি হাতে তুলে নিতে শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, এখন থেকে প্রতি সোমবারই নিয়ম করে সাধারণ মানুষের মুখোমুখি বসবেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে তার জন্য আগেভাগে রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে।

[TECHTARANGA-POST:9452]

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’-এ দেখা করতে এসেছিলেন চাকরিহারা এক যুবক সুমন বিশ্বাস। শুভেন্দু অধিকারীর হাতে নিজের অভাব-অভিযোগের চিঠি তুলে দেওয়ার পর সুমন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক দাবি করেন। তিনি বলেন, “আগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরিহারাদের অভাব বা অভিযোগের কথা কোনোদিন শুনতেন না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখাই করা যেত না। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী বরাবরই চাকরিহারাদের পাশে ছিলেন। আজ আমি ওঁর হাতে চিঠি দিয়েছি, উনি তা গ্রহণ করেছেন। আজ প্রমাণিত হলো যে চাইলেই মুখ্যমন্ত্রীর সাথে দেখা করা যায়।” একই সাথে রাজ্যে আবার স্বচ্ছভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার দাবিও জানান ওই যুবক।

[TECHTARANGA-POST:9445]

চাকরিপ্রার্থীদের পাশাপাশি এদিন সস্ত্রীক হাজির হয়েছিলেন অশীতিপর বৃদ্ধ প্রবীর মুখোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, পৈতৃক ভিটেতে প্রোমোটিং বা ফ্ল্যাট তৈরির পরেও মাথা গোঁজার ছাদ পাননি তিনি। জয়দেব কামদারের ছত্রছায়ায় থাকা সোনা পাপ্পুরা তাঁর সাথে বড়সড় জালিয়াতি করেছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে আইনি ও প্রশাসনিক সাহায্যের আশ্বাস পেয়ে চোখে জল চলে আসে বৃদ্ধ দম্পতির। সল্টলেকের দরবার শেষ করে বেলা ১২টা নাগাদ সোজা নবান্নের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন নবান্নে সব দপ্তরের সচিব এবং রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে তাঁর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *