০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home লাইফস্টাইল অফবিট Travel: পুজোর ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির মাঝে ছুটি কাটাতে চান? জঙ্গল-পাহাড়-মহানদীর এই ঠিকানায় মিলবে অ্যাডভেঞ্চার আর শান্তি
অফবিটলাইফস্টাইল

Travel: পুজোর ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির মাঝে ছুটি কাটাতে চান? জঙ্গল-পাহাড়-মহানদীর এই ঠিকানায় মিলবে অ্যাডভেঞ্চার আর শান্তি

Share
Travel: পুজোর ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির মাঝে ছুটি কাটাতে চান? জঙ্গল-পাহাড়-মহানদীর এই ঠিকানায় মিলবে অ্যাডভেঞ্চার আর শান্তি
ছবিঃ সংগৃহীত
Share

ছুটিতে কোথায় যাবেন, তা নিয়ে মতের শেষ নেই। কেউ চান ঘন জঙ্গলের মধ্যে অ্যাডভেঞ্চার, কেউ পাহাড়ের নির্জনতা, আবার কারও পছন্দ নদীর ধারে বসে দুদণ্ড শান্তি। কিন্তু এতকিছু একসাথে পাবেন কোথায়? ওড়িশার সাতকোশিয়া ঠিক এমনই একটি গন্তব্য। 

সাতকোশিয়ার বিশেষত্ব তার মহানদী। নদীটি এখানে প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ গিরিখাতের মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে। সরকারি পর্যটন তথ্য অনুযায়ী, এই গিরিখাতের নাম থেকেই ‘সাতকোশিয়া’ নামটির উৎপত্তি। এখানে বেড়াতে গেলে শুধু জঙ্গলের পথ ঘুরে দেখাই নয়, মহানদীতে নৌবিহারের সুযোগও রয়েছে। টিকরপাড়া এবং বদমূলে নৌবিহারের ব্যবস্থা রয়েছে। নদীর ধারে কুমিরকে রোদ পোহাতে দেখা যেতে পারে। আর ভাগ্য ভালো হলে ঘড়িয়াল বা বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরও দেখা মিলতে পারে। 

আর যদি শুধু প্রকৃতির দৃশ্য দেখে ফিরে আসতে না চান, তা হলে জঙ্গল ঘোরার পাশাপাশি ট্রেকিং, পাখি দেখা এবং নৌবিহারের মতো অভিজ্ঞতাও যোগ করতে পারেন।  সাতকোশিয়ার আরেকটি বড় আকর্ষণ হল নদীর ধারে থাকার অভিজ্ঞতা। বদমূলে রয়েছে সাতকোশিয়া স্যান্ডস রিসর্ট। পাহাড়ের ঢালে থাকা এই রিসর্ট থেকে মহানদীর গিরিখাত ও বালুচরের দৃশ্য দেখা যায়। এখানে কটেজের পাশাপাশি নদীর বালুচরে তাঁবুতে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। থাকার জন্য টিকরপাড়া, ছোটকেই, বাঘমুন্ডা, তারাভা, বালিপুট-সহ বিভিন্ন জায়গায় প্রকৃতি শিবির ও কটেজ রয়েছে। জঙ্গল সাফারির ক্ষেত্রেও রয়েছে আলাদা আকর্ষণ। তবে সাতকোশিয়া ব্যাঘ্র প্রকল্প হলেও সেখানে গিয়ে বাঘ দেখবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই। 

কোথায় থাকবেন?

সাতকোশিয়ায় থাকার জন্য টিকরপাড়া, ছোটকেই, বাঘমুন্ডা, তারাভা ও বালিপুটের মতো জায়গায় নেচার ক্যাম্প, কটেজ এবং তাঁবুর ব্যবস্থা রয়েছে। বদমূলে রয়েছে সাতকোশিয়া স্যান্ডস রিসর্ট।

কীভাবে যাবেন?

সাতকোশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় যেতে হলে অঙ্গুল, ভুবনেশ্বর বা কটককে রুট হিসেবে ধরতে পারেন। টিকরপাড়া যেতে অঙ্গুল হয়ে যাওয়াই সুবিধাজনক। ভুবনেশ্বর থেকে টিকরপাড়ার দূরত্ব প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। অন্যদিকে বদমূল ভুবনেশ্বর থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে। গাড়ি নিয়ে দু’টি জায়গাতেই সহজে পৌঁছনো যায়।

শহরের ব্যস্ততা থেকে কয়েকটা দিন দূরে থাকতে চাইলে সাতকোশিয়া হতে পারে ভালো একটি বিকল্প। একদিকে ঘন জঙ্গল, অন্যদিকে পাহাড় আর তার মাঝ দিয়ে বয়ে চলা মহানদী সব মিলিয়ে প্রকৃতির খুব কাছাকাছি সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন এখানে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *