০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ধর্ম ও বিশ্বাস উৎসব Ganesh Chaturthi: মূর্তিজুড়ে চকচকে ৫০০-১০০ টাকার নোট! প্রায় ২ কোটির নোটে সাজলেন গণেশ, কোথায় জানেন?
উৎসবধর্ম ও বিশ্বাসধর্ম ও বিশ্বাসভারতবর্ষ

Ganesh Chaturthi: মূর্তিজুড়ে চকচকে ৫০০-১০০ টাকার নোট! প্রায় ২ কোটির নোটে সাজলেন গণেশ, কোথায় জানেন?

Share
Ganesh Chaturthi: মূর্তিজুড়ে চকচকে ৫০০-১০০ টাকার নোট! প্রায় ২ কোটির নোটে সাজলেন গণেশ, কোথায় জানেন?
ওয়ারাঙ্গালের সেই গণেশ মূর্তি। ছবি: সংগৃহীত
Share

ওয়ারাঙ্গাল: সিদ্ধি বিনায়কের আশীর্বাদে ভাগ্য ফেরে— এই বিশ্বাসেই দেশজুড়ে আড়ম্বরের সঙ্গে পালিত হচ্ছে গণেশ উৎসব। তবে হায়দরাবাদ ও সংলগ্ন এলাকায় এবার এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সাক্ষী থাকছেন সাধারণ মানুষ। সাধারণ মাটির তৈরি মূর্তির বদলে গলায় ১০০ ও ৫০০ টাকার রাশি রাশি নোটের মালা এবং শরীরে নোটের বান্ডিল জড়িয়ে ভক্তদের দেখা দিচ্ছেন বিঘ্নহর্তা। তেলেঙ্গানার ওয়ারাঙ্গালে এমন এক অভিনব সাজে সজ্জিত গণেশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। স্বয়ং ধনলক্ষ্মী রূপে বাপ্পার এই অনন্য রূপ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় যেন আছড়ে পড়ছে পুজো মণ্ডপে। তবে সাধারণ ভক্তদের ভিড় সামলানোর পাশাপাশি এই কোটি কোটি টাকার সুরক্ষায় এখন উদ্যোক্তাদের ঘুম উবে যাওয়ার জোগাড় হয়েছে।

ওয়ারাঙ্গাল জেলার শিবনগরের বাসভি কলোনির বিনায়ক ট্রাস্ট ভবনের এই পুজো স্থানীয়দের কাছে মূলত ‘ধনলক্ষ্মী গণপতি’ নামেই সমধিক পরিচিত। ট্রাস্টের উদ্যোক্তারা জানান, প্রতি বছরই ঠাকুরের অলংকরণে ব্যবহৃত কাগজের মুদ্রার পরিমাণ একটু একটু করে বাড়ানো হয়। বিগত বছরগুলিতেও এই প্রথা চালু ছিল। গত বছর গণেশ মূর্তির সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছিল প্রায় ১ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা। তবে চলতি বছরে সেই অঙ্ক আরও প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে অবিশ্বাস্য ১ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকায়। ১০০, ৫০ ও ৫০০ টাকার নতুন নোটের থরে থরে সাজানো মালা এবং পুরো শরীরে মোড়ানো কারেন্সি নোটে যেন ঝলমল করছেন গজানন।

আর্থিক সমৃদ্ধি, ব্যবসার প্রসার এবং পরিবারের শুভ কামনায় প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ এই ধনলক্ষ্মী গণেশের পায়ে মাথা নোয়াতে আসছেন। ওয়ারাঙ্গালের এই পুজোকে ঘিরে শহরবাসীর আবেগ এখন তুঙ্গে। কিন্তু মণ্ডপের ভেতরে প্রায় দুই কোটি টাকার আসল নোটে মোড়া প্রতিমা দিনের পর দিন উন্মুক্ত অবস্থায় রাখায় বড়সড় নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। এত নগদ টাকা মণ্ডপে ঝুলতে দেখে অসাধু চক্র বা চোরের দল যাতে কোনোভাবেই তস্করবৃত্তি চরিতার্থ করতে না পারে, তার জন্য নজিরবিহীন নিরাপত্তাবলয় তৈরি করেছে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ।

পুজো মণ্ডপের চারপাশ মুড়ে ফেলা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিশেষ নিরাপত্তাকর্মীরা। ভক্তদের দর্শনের সুবিধার্থে লাইন বাঁধাইয়ের পাশাপাশি সশস্ত্র প্রহরী ও ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যেও তদারকি চালানো হচ্ছে। বিপুল অর্থের এই সুরক্ষাবলয় সামলে নির্বিঘ্নে পুজো শেষ করাই এখন উদ্যোক্তাদের কাছে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:12823]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *