০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home রাজনীতি কলকাতা BJP Inner Conflict: ভরা সভায় হাতাহাতি-বচসা, মন্ত্রী শারদ্বত ও বিধায়ক পীযূষের তুমুল ঝগড়ায় অস্বস্তিতে বিজেপি
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিরাজনীতি

BJP Inner Conflict: ভরা সভায় হাতাহাতি-বচসা, মন্ত্রী শারদ্বত ও বিধায়ক পীযূষের তুমুল ঝগড়ায় অস্বস্তিতে বিজেপি

Share
BJP Inner Conflict: ভরা সভায় হাতাহাতি-বচসা, মন্ত্রী শারদ্বত ও বিধায়ক পীযূষের তুমুল ঝগড়ায় অস্বস্তিতে বিজেপি
শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং পীযূষ কানোরিয়া। নিজস্ব ছবি
Share

দমদম: রাজ্যে ক্ষমতার আসনে বসার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই প্রকাশ্যে চলে এল শাসক বিজেপির চরম অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও গোষ্ঠীকোন্দল। ভরা দলীয় জনসভায় প্রকাশ্যে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বিধাননগরের বিজেপি বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং রাজারহাট-নিউটাউনের প্রভাবশালী বিজেপি বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। দুই হেভিওয়েট নেতার নীতিগত ও ব্যক্তিগত লড়াই ঘিরে নিমেষের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এই নজিরবিহীন ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে গেরুয়া শিবির।

ঘটনার সূত্রপাত দমদম পার্কের এক দলীয় কর্মী বৈঠক ঘিরে। সেখানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সভা চলাকালীন সেখানে আচমকা হাজির হন এলাকার স্থানীয় ভূমিপুত্র হিসেবে পরিচিত বিজেপি বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। তাঁকে দেখে মন্ত্রী শারদ্বত বারবার তাঁকে মঞ্চে আসন গ্রহণ করার আমন্ত্রণ জানান। তবে মন্ত্রীকে পাত্তা না দিয়ে মঞ্চে উঠতে পরিষ্কার অস্বীকার করেন পীযূষ। পীযূষের সমর্থকরা মঞ্চে উপস্থিত একাধিক নেতার ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে স্লোগান ও আপত্তি তুলতে শুরু করলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। শেষমেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বয়ং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঞ্চ থেকে নেমে এসে পীযূষের হাত ধরে টানাটানি করে তাঁকে উপরে তোলেন। তবে ততক্ষণে সভায় গোলমাল ও উত্তেজনার পারদ চড়ে গিয়েছে।

মঞ্চে উঠেও নিজের ক্ষোভ গোপন রাখেননি বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। কড়া সুরে সাফ জানিয়ে দেন, এলাকাকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখা এবং তোলাবাজি বন্ধ করাই তাঁর প্রধান কাজ। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি আরও ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, দমদম পার্ক তাঁর আদি বাসস্থান এবং এই এলাকায় নতুন করে কোনো অসাধু চক্রকে তিনি পা রাখতে দেবেন না।

অন্যদিকে, কিছুটা নমনীয় কিন্তু বিস্ফোরক আত্মসমালোচনার সুর শোনা যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বতের মুখে। দলীয় ত্রুটি স্বীকার করে তিনি প্রকাশ্যেই বলেন, সমাজে তোলাবাজি পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে তা তিনি দাবি করতে পারছেন না। মানুষের থেকে পাওয়া চিঠির ৯০ শতাংশেই আতঙ্কে নাম গোপন রাখা হচ্ছে, যার অর্থ ‘ভয়’ দূর করে সরকার এখনও সম্পূর্ণ ভরসা জোগাতে পারেনি। ক্ষমতার মোটে কয়েক মাসের মাথায় দুই নেতার এই খোলাখুলি সংঘাত বিরোধী শিবিরের হাতে বড় রাজনৈতিক হাতিয়ার তুলে দিল বলে মনে করছে অভিজ্ঞ রাজনৈতিক মহল।

[TECHTARANGA-POST:12894]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles