০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা অপরাধ Sumit Roy Extortion Case: ৫০ লাখ টাকার তোলাবাজি কাণ্ডে নতুন মোড়! সুমিত রায়ের পাশাপাশি এবার জালে আইপ্যাক কর্তার প্রাক্তন আপ্তসহায়ক?
অপরাধকলকাতাকলকাতা

Sumit Roy Extortion Case: ৫০ লাখ টাকার তোলাবাজি কাণ্ডে নতুন মোড়! সুমিত রায়ের পাশাপাশি এবার জালে আইপ্যাক কর্তার প্রাক্তন আপ্তসহায়ক?

Share
Sumit Roy Extortion Case: ৫০ লাখ টাকার তোলাবাজি কাণ্ডে নতুন মোড়! সুমিত রায়ের পাশাপাশি এবার জালে আইপ্যাক কর্তার প্রাক্তন আপ্তসহায়ক?
অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। ফাইল ছবি
Share

মেদিনীপুর: ৫০ লক্ষ টাকা তোলাবাজি ও প্রতারণার চাঞ্চল্যকর অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের পর এবার এই মামলায় নাম জড়াল আইপ্যাক প্রধান প্রতীক জৈনের তৎকালীন আপ্তসহায়ক সৌম্যজিৎ সেনের। বালি ব্যবসায়ীকে প্রশাসনিক ক্ষমতার ভয় দেখিয়ে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দফায় দফায় মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের অভিযোগে শালবনি থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। ক্যামাক স্ট্রিটের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সরাসরি বিপুল নগদ অর্থ লেনদেনের এই অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার জয়পুরের বাসিন্দা তথা বালি ব্যবসায়ী নাদিয়া চৌধুরী শালবনি থানায় দায়ের করা অভিযোগে জানান, ২০২৪ সাল নাগাদ বালি পরিবহণের সময় ওভারলোডিংয়ে প্রশাসনিক ছাড়পত্র পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখানো হয়েছিল। ব্যবসায়ী সূত্রে পরিচিত প্রশান্ত দাস নামে এক ব্যক্তি প্রথম তাঁর কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করে। তাঁকে আশ্বাস দেওয়া হয়, এই বিপুল টাকা দিলে ট্রাকে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি বালি বহনে জেলা বা রাজ্য প্রশাসনের তরফে আর কোনো বাধা আসবে না।

প্রথমে এমন অন্যায় প্রস্তাবে রাজি না হলেও, পরবর্তীতে ব্যবসা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় বাধ্য হয়ে নতিস্বীকার করেন ওই ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীর অভিযোগ, মারাত্মক হুমকির মুখে তিনি ক্যামাক স্ট্রিটের আইপ্যাক কার্যালয়ে যেতে বাধ্য হন। সেখানে প্রতীক জৈনের তৎকালীন ব্যক্তিগত সহকারী সৌম্যজিৎ সেনের হাতে সরাসরি নগদ ১৯ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয় বলে এফআইআরে দাবি করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত জুন মাসেই সুমিত রায়, সৌম্যজিৎ সেন সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন প্রতারণা ও তোলাবাজির ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। কীভাবে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং প্রভাব খাটিয়ে দিনের পর দিন ব্যবসায়ী শ্রেণীকে ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি চালানো হতো, তার ব্লু-প্রিন্ট এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। শালবনি থানার পুলিশ সূত্রে খবর, এই বিশাল অর্থ লেনদেনের পেছনে কার কী ভূমিকা ছিল তা স্পষ্ট করতে এবং পুরো চক্রটির মূল রহস্য উদঘাটন করতে অভিযুক্তদের দ্রুত তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

[TECHTARANGA-POST:12959]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *