০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দুর্ঘটনা Pakistan Blast: জুমার নামাজের মাঝেই আচমকা বিকট ধামাকা! প্রার্থনারত পুণ্যার্থীদের ওপর প্রাণঘাতী হামলায় মৃত্যুমিছিল
দুর্ঘটনাদুর্ঘটনাবিশ্ব

Pakistan Blast: জুমার নামাজের মাঝেই আচমকা বিকট ধামাকা! প্রার্থনারত পুণ্যার্থীদের ওপর প্রাণঘাতী হামলায় মৃত্যুমিছিল

Share
Pakistan Blast: জুমার নামাজের মাঝেই আচমকা বিকট ধামাকা! প্রার্থনারত পুণ্যার্থীদের ওপর প্রাণঘাতী হামলায় মৃত্যুমিছিল
প্রাণঘাতী হামলায় মৃত্যুমিছিল। ছবি-সংগৃহীত
Share

ইসলামাবাদ: শুক্রবারের পবিত্র জুমার নামাজের আবহেই রক্তাক্ত হয়ে উঠল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশ। কোহাট পুলিশ লাইনের অতি সুরক্ষিত চত্বরের কাছে অবস্থিত একটি মসজিদে প্রার্থনার সময় এক তীব্র ও বিধ্বংসী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল সমগ্র এলাকা। এএফপি ও স্থানীয় পাক সংবাদমাধ্যমগুলির প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভয়াবহ এই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত সাতজনের করুণ মৃত্যু ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন কমপক্ষে ত্রিশ জন। পুলিশ ও চিকিৎসকদের আশঙ্কা, উদ্ধারকাজ এগোলে এবং আশঙ্কাজনক রোগীদের পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে নিহতের এই সংখ্যা আরও লাফিয়ে বাড়তে পারে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকারী সংস্থার সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য শুক্রবারের মতোই এ দিনও জুমার বিশেষ প্রার্থনার জন্য বহু পুণ্যার্থী ও স্থানীয় মানুষ মসজিদে ভিড় জমিয়েছিলেন। ঠিক যখন নামাজ শুরু হয়, সেই মুহূর্তেই এক কানফাটা বিস্ফোরণে থরথর করে কেঁপে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, ছিটকে যায় বহুতল ভবনের জানালার কাচ এবং মসজিদের একাংশ সম্পূর্ণ ধসে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। প্রার্থনারত অসংখ্য পুণ্যার্থী ধসে যাওয়া কংক্রিটের নিচে চাপা পড়ে যান। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ছিন্নভিন্ন মরদেহ এবং আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশের বাতাস।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রথম উদ্ধারকাজে হাত বাড়ান এবং আটকে থাকা মানুষকে বের করে আনার চেষ্টা শুরু করেন। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভারী পুলিশ বাহিনী ও রেসকিউ ১১২২-এর বিশেষ উদ্ধারকারী দল। রেসকিউ ১১২২-এর প্রধান বিলাল আহমেদ ফৈজী সংবাদমাধ্যমকে জানান, দ্রুততার সাথে রক্তাক্ত ও আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আহতদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক হওয়ায় স্থানীয় হাসপাতালগুলিতে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা জারি করা হয়েছে এবং রক্তদানের আবেদন জানানো হয়েছে।

পুলিশ চত্বরের এত কাছে কী করে এই ধরনের এক নাশকতা চালানো সম্ভব হলো এবং এর পেছনে কোনও জঙ্গি সংগঠনের হাত রয়েছে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে পাক সুরক্ষাবাহিনী। পুলিশ গোটা এলাকাটি ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। জুমার নামাজের মতো শান্ত ও পবিত্র মুহূর্তে এত বড় নৃশংস হামলা গোটা সীমান্ত অঞ্চলে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles