০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দুর্ঘটনা Durgapur Mystery Death: বিলাসবহুল বাড়িতে ধোঁয়া! ঝুলছে তালা, দরজা খুলতেই তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দগ্ধ দেহ উদ্ধারে তীব্র চাঞ্চল্য
দুর্ঘটনাদুর্ঘটনাপশ্চিমবঙ্গপূর্ব বর্ধমান

Durgapur Mystery Death: বিলাসবহুল বাড়িতে ধোঁয়া! ঝুলছে তালা, দরজা খুলতেই তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দগ্ধ দেহ উদ্ধারে তীব্র চাঞ্চল্য

Share
Durgapur Mystery Death: বিলাসবহুল বাড়িতে ধোঁয়া! ঝুলছে তালা, দরজা খুলতেই তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দগ্ধ দেহ উদ্ধারে তীব্র চাঞ্চল্য
তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দগ্ধ দেহ উদ্ধার। ছবি-সংগৃহীত
Share

দুর্গাপুর: বিলাসবহুল বসতবাড়ির বন্ধ ঘরের মেঝে থেকে উদ্ধার হলো তৃণমূল নেতার স্ত্রীর ভয়াবহ অগ্নিদগ্ধ দেহ। মঙ্গলবার সাতসকালে দুর্গাপুরের জামুড়িয়া থানা এলাকার সোনপুর গ্রামে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মৃতার নাম পম্পা মণ্ডল (৪০)। তিনি পাণ্ডবেশ্বরের সাবেক তৃণমূল যুব সভাপতি তথা এলাকাভিত্তিক প্রভাবশালী নেতা নরোত্তম মণ্ডলের স্ত্রী। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে এটি নিছক দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—তা নিয়ে মারাত্মক ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে জামুড়িয়া থানার কেন্দা ফাঁড়ির পুলিশ। একইসঙ্গে নরোত্তম মণ্ডলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ নরোত্তমবাবুর বাড়ির ব্যালকনি ও ঘরের জানলা দিয়ে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন প্রতিবেশীরা। সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা চিৎকার করে ডাকাডাকি শুরু করেন। কিন্তু ভিতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না মেলায় প্রতিবেশীরা লাগোয়া সিঁড়ি দিয়ে ব্যালকনিতে উঠে দরজায় ধাক্কা দেন। কিছুক্ষণ পর দম্পতির নাবালক ছেলে এসে ভিতর থেকে আটকানো কপাট খুলে দিলে দেখা মেলে এক মর্মান্তিক দৃশ্যের। ঘরের মেঝের ওপর সম্পূর্ণ অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় নিথর হয়ে পড়ে রয়েছেন পম্পাদেবী।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত পৌঁছালে গৃহবধূকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। জানা গিয়েছে, প্রায় ১০ বছর আগে নরোত্তম মণ্ডলের সঙ্গে পম্পাদেবীর বিবাহ হয়। তবে বিগত বেশ কিছুদিন ধরে দম্পতির বৈবাহিক সম্পর্কে তিক্ততা চরম সীমায় পৌঁছেছিল এবং আদালতে তাঁদের ডিভোর্সের মামলাও ঝুলছিল। সম্পর্কের অবনতির কারণে তাঁরা একই বাড়িতে আলাদা ঘরে বাস করছিলেন। ঘটনার সময় নরোত্তমবাবু বাড়িতে ছিলেন না বলে দাবি জানালেও, প্রতিবেশীরা তাঁকে ফোন করে ডাকলে তিনি পৌঁছতেই তাঁকে পুলিশ হেফাজতে নেয়।

এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি। স্থানীয় বিজেপি বুথ সভাপতি রঞ্জিত কুমার সিনহার অভিযোগ, নরোত্তম অত্যন্ত প্রতাপশালী শাসকদলের নেতা হওয়ার সুবাদে এলাকায় দাপট দেখাতেন এবং নিজের পরিবারের ওপর ক্রমাগত নির্যাতন চালাতেন। বিজেপির দাবি, পারিবারিক হিংসার জেরেই নিজের স্ত্রীকে নির্মমভাবে শেষ করে দেওয়া হয়েছে এবং এর নিরপেক্ষ বিচার প্রয়োজন। যদিও পুলিশ পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই আসল রহস্য উদঘাটিত হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:12858]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles