০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দুর্ঘটনা Telangana Hospital Fire: হাসপাতালের এসিতে বিকট বিস্ফোরণ! মুহূর্তের মধ্যে ছাই শিশুবিভাগ, মর্মান্তিক পরিণতি ২ সদ্যোজাতের
দুর্ঘটনাদুর্ঘটনাভারতবর্ষ

Telangana Hospital Fire: হাসপাতালের এসিতে বিকট বিস্ফোরণ! মুহূর্তের মধ্যে ছাই শিশুবিভাগ, মর্মান্তিক পরিণতি ২ সদ্যোজাতের

Share
Telangana Hospital Fire: হাসপাতালের এসিতে বিকট বিস্ফোরণ! মুহূর্তের মধ্যে ছাই শিশুবিভাগ, মর্মান্তিক পরিণতি ২ সদ্যোজাতের
ভয়াবহ বিস্ফোরণ সরকারি হাসপাতালে। ছবি-সংগৃহীত
Share

আদিলাবাদ: গভীর রাতে আচমকাই বিকট শব্দে কেঁপে উঠল গোটা হাসপাতাল চত্বর। ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে গেল চারপাশ। কিছু বুঝে ওঠার আগেই অগ্নিকাণ্ডের গ্রাসে চলে গেল বিশেষ নবজাতক যত্ন ইউনিট বা এসএনসিইউ। তেলঙ্গানার আদিলাবাদে রাজীব গাঁধী ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস বা রিমস হাসপাতালে ঘটে গেল এমনই এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। সোমবার মাঝরাতে এসি মেশিনে শর্ট সার্কিট থেকে বিস্ফোরণের জেরে আগুন লেগে প্রাণ হারাল ২ সদ্যোজাত শিশু।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, রাত বারোটা নাগাদ আচমকাই এসএনসিইউ বিভাগ থেকে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন কর্মরত নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিপদ বুঝে ওঠার আগেই এসি বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে চারপাশ কেঁপে ওঠে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো শিশুবিভাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ও বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঢেকে যায় সংলগ্ন ওয়ার্ডগুলিও। রোগীদের প্রাণ বাঁচাতে হুলস্থুল পড়ে যায় পুরো প্রাঙ্গণে। আতঙ্কে চিৎকার ও হুড়োহুড়ি শুরু করে দেন পরিজনরা।

পরিস্থিতির ভয়াবহতায় সময় নষ্ট না করে প্রাণপণ উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন চিকিৎসাকর্মী ও নার্সরা। অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে বিদ্যুতের সমস্ত সরঞ্জাম ও হাই-ভোল্টেজ মেডিক্যাল লাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এসএনসিইউতে ভর্তি থাকা নিষ্পাপ প্রাণগুলোকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। দুর্ঘটনার সময় ওই বিশেষ ওয়ার্ডটিতে মোট ৩০ জন সদ্যোজাত চিকিৎসাধীন ছিল। তাদের মধ্যে ২৮ জনকে উদ্ধার করে অন্যত্র নিরাপদ ওয়ার্ডে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হলেও বাঁচানো যায়নি দু’জনকে। এক প্রিম্যাচিওর শিশুসহ দুই সদ্যোজাতের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে এই ধোঁয়া ও স্থানান্তরের প্রক্রিয়ার মাঝে।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। কয়েক ঘণ্টার টানা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা। প্রাথমিক তদন্তের পর তাঁদের অনুমান, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রে শর্ট সার্কিটের ফলেই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া মাত্রই হাসপাতালে পৌঁছান জেলাশাসক রাজর্ষি শাহ এবং পুলিশ প্রধান অখিল মহাজন। পুলিশ ইতোমধ্যেই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। জেলাশাসক পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন এবং জানিয়েছেন যে এই দুর্ঘটনার পেছনে কোনো গাফিলতি ছিল কি না তা জানতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:12845]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles